প্লাগ-ইন হাইব্রিড কত সময়ে চার্জ হয়?

এই পেজটি শেয়ার করুন
একটি প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি সাধারণত 4 থেকে 12 ঘণ্টার মধ্যে চার্জ হলে তার ব্যাটারিকে যথেষ্ট মনে করে; এই সময় নির্ধারণ করে তিনটি ভেরিয়েবল: ব্যাটারির ক্ষমতা (বেশিরভাগ মডেলে 8-20 kWh পরিসর), চার্জিং সোর্স যে পরিমাণ পাওয়ার দিতে পারে এবং গাড়ির অন্তর্নির্মিত চার্জার সর্বোচ্চ কতটা গ্রহণ করতে পারে। তিনটির মধ্যে যেটি ছোট, চার্জিং সময় তা-ই নির্ধারণ করে। এই পৃষ্ঠায় তিনটি ভেরিয়েবলই বাস্তব উদাহরণ দিয়ে হিসাব করে দেখাচ্ছি, একই গাড়ি কেন ঘরোয়া সকেটে 10 ঘণ্টা, ওয়াল ইউনিটে 4 ঘণ্টায় চার্জ হয় তা ব্যাখ্যা করছি।
মূল বিষয়সমূহ
- প্লাগ-ইন হাইব্রিড ব্যাটারিগুলো সাধারণত 8-20 kWh পরিসরে থাকে; সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি 60-80 kWh মাত্রার হয়।
- সাধারণ ঘরোয়া সকেট (Level 1) থেকে সম্পূর্ণ চার্জে সাধারণত 6-12 ঘণ্টা সময় লাগে।
- Level 2 ওয়াল ইউনিট দিয়ে সম্পূর্ণ চার্জ সাধারণত 3-6 ঘণ্টায় নেমে আসে।
- বেশিরভাগ প্লাগ-ইন হাইব্রিডের অন্তর্নির্মিত চার্জার 3,3-7,2 kW -এ সীমাবদ্ধ; বেশি শক্তিশালী স্টেশন এটিকে দ্রুত করে না।
- বেশিরভাগ প্লাগ-ইন হাইব্রিড DC দ্রুত চার্জিং সমর্থন করে না; সমর্থনকারী মডেলগুলোতেও এই চার্জিংয়ে প্রায় 40 মিনিট সময় লাগে।
চার্জিং সময় কীভাবে হিসাব করা হয়: একটি সহজ সূত্র
চার্জিং সময়ের হিসাবের ভিত্তিতে রয়েছে একটি মাত্র সূত্র: ঘণ্টায় সময় বের করা হয় স্থানান্তরিত করণীয় শক্তির (kWh) পরিমাণকে গাড়ি প্রকৃতপক্ষে যে পাওয়ার (kW) গ্রহণ করে তা দিয়ে ভাগ করে। উদাহরণস্বরূপ, 80 kWh-এর একটি ব্যাটারি 20% থেকে 80%-এ চার্জ করা মানে 48 kWh শক্তি; 7,68 kW দেওয়া একটি স্টেশনে এই প্রক্রিয়ায় প্রায় 6,3 ঘণ্টা সময় লাগে। একই যুক্তি প্লাগ-ইন হাইব্রিডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য; বরং ছোট ব্যাটারির কারণে সংখ্যাগুলো আরও সহজে সামলানোর মতো হয়ে যায়।
চার্জিং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমান গতিতে এগোয় না - এটিও হিসাবে ধরে নিতে হয়। ব্যাটারি খালি থাকলে পাওয়ার গ্রহণ বেশি থাকে, 80% পূর্ণতার দিকে এগোলে গতি সচেতনভাবে কমানো হয়। এই আচরণকে tapering বলা হয় এবং এটি ব্যাটারি রক্ষার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যবহারিক ফলাফল হলো: 10% থেকে 80% পর্যন্ত অংশ, 80% থেকে 100% পর্যন্ত অংশের চেয়ে সময়ের দিক থেকে সাধারণত কম সময় নেয়। প্লাগ-ইন হাইব্রিডে এই প্রভাব সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির তুলনায় কম স্পষ্ট হলেও, শেষ 20% কেন দীর্ঘ হয় তা ব্যাখ্যা করে।
সময়কে প্রভাবিত করা পাঁচটি মৌলিক ফ্যাক্টর উল্লেখ করা দরকার: ব্যাটারির আকার, চার্জিং শুরুর সময়ের পূর্ণতার হার, গাড়ি সর্বোচ্চ যে পাওয়ার গ্রহণ করতে পারে, চার্জিং স্টেশন সর্বোচ্চ যে পাওয়ার দিতে পারে এবং পরিবেশগত পরিস্থিতি - বিশেষ করে ঠান্ডা আবহাওয়া। এই পাঁচটির মধ্যে প্রথম চারটি নিচের অংশগুলোতে একে একে পরীক্ষা করা হয়েছে; ঠান্ডা আবহাওয়ার প্রভাব আলাদা একটি অংশ পাওয়ার যোগ্য।
টিপিক্যাল ব্যাটারি ক্ষমতা ও পাওয়ার সোর্স অনুযায়ী চার্জ হওয়ার সময়
প্লাগ-ইন হাইব্রিডের ব্যাটারিগুলো, সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির বিপরীতে, সচেতনভাবে ছোট রাখা হয়: বেশিরভাগ মডেলে 8 থেকে 20 kWh-এর মধ্যে ক্ষমতা থাকে। এই ক্ষমতা পরিসর দৈনিক শহরতলির যাতায়াত বিদ্যুতে সম্পূর্ণ করার জন্য যথেষ্ট; দূরের পথে পেট্রোল ইঞ্জিন কাজে লাগে। একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স হিসেবে Mitsubishi Outlander PHEV-এর (2018) 13,8 kWh ব্যাটারি প্রায় 24 মাইল বৈদ্যুতিক রেঞ্জ দেয় - এটি এই শ্রেণির প্রতিনিধিত্বমূলক একটি প্রোফাইল।
একই গাড়ির বিভিন্ন পাওয়ার সোর্সে চার্জ হওয়ার সময়, টেবিলের পার্থক্যগুলো পড়ার জন্য একটি ভালো মাপকাঠি:
| চার্জ উৎস | সাধারণ ক্ষমতা | Outlander PHEV (13.8 kWh) |
|---|---|---|
| ঘরোয়া সকেট (Level 1) | ~1.4-1.9 kW | আনুমানিক 6-12 ঘণ্টা (পুরো শ্রেণি জুড়ে) |
| Level 2 / ওয়ালবক্স | 3.6 kW | 4 ঘণ্টা |
| Level 2 / ওয়ালবক্স | 7.4 kW | 4 ঘণ্টা |
| থ্রি-ফেজ স্টেশন | 22 kW | 4 ঘণ্টা |
| DC দ্রুত চার্জ (সমর্থিত মডেল) | 43-50 kW | প্রায় 40 মিনিট |
টেবিল থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফল হলো: 3.6 kW থেকে 22 kW-এ ওঠা Outlander-এর চার্জিং সময় আদৌ কমায় না। চার সারি ধরে সময় 4 ঘণ্টায় থেকে যাওয়ার কারণ পরবর্তী অংশে - এবং এটিই ব্যাখ্যা করে কেন বেশিরভাগ প্লাগ-ইন হাইব্রিড মালিক ওয়াল ইউনিট থেকে প্রত্যাশিত গতি দেখতে পান না।
অন্তর্নির্মিত চার্জার: সময় নির্ধারণকারী প্রকৃত সীমা

চার্জিং সময় কেবল স্টেশনের ক্ষমতার দ্বারা নির্ধারিত হয় না; গাড়ির ভেতরের AC-DC কনভার্টার, অর্থাৎ অন্তর্নির্মিত চার্জার, কতটা ক্ষমতা গ্রহণ করা হবে তা সিদ্ধান্ত নেয়। প্লাগ-ইন হাইব্রিডের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশে এই সীমা 3.3-7.2 kW -এর মধ্যে থাকে - সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির 11-19.2 kW গ্রহণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক কম। ফলাফল: 22 kW-এর স্টেশনে সংযুক্ত একটি গাড়ি, 7.4 kW গ্রহণ করলে তবুও 7.4 kW-এই চার্জ হয়। আরও ব্যয়বহুল, আরও শক্তিশালী চার্জিং পয়েন্ট একা কোনো সময় বাঁচায় না।
পরিসর দেখানোর জন্য একটি উদাহরণ: প্লাগ-ইন হাইব্রিড মডেলে AC চার্জিংয়ের সর্বোচ্চ সীমা 3.7 kW-এ থেকে যাওয়া এবং আরও শক্তিশালী স্টেশনে সংযোগ সত্ত্বেও গতি না বাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত। অন্য মডেলে এই সীমা কিছুটা বেশি; কিছু তথ্যসূত্র অনুযায়ী একটি প্লাগ-ইন হাইব্রিড মডেল 7.4 kW দিয়ে তার শ্রেণির দ্রুততম AC চার্জ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ শ্রেণির অভ্যন্তরীণ পার্থক্যও 2-3 গুণে পৌঁছাতে পারে; কেনার আগে গাড়ির অন্তর্নির্মিত চার্জারের মান পরীক্ষা করা, ওয়াল ইউনিট ইনস্টলেশনের চেয়েও বড় সময় সাশ্রয় করতে পারে।
তাহলে নির্মাতারা কেন এত কম ক্ষমতার চার্জার ব্যবহার করে? যুক্তির ধারাটি সহজ: ব্যাটারি আগেই ছোট, ভরতে বেশি সময় লাগে না এবং উচ্চ ক্ষমতার চার্জিং ছোট ব্যাটারিতে অতিরিক্ত তাপ ও চাপ সৃষ্টি না করে তেমন কিছুই লাভ করায় না। এর বিপরীতে বেশিরভাগ প্লাগ-ইন হাইব্রিড DC দ্রুত চার্জও সমর্থন করে না; এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির সাথে তাদের মধ্যকার সবচেয়ে স্পষ্ট হার্ডওয়্যার পার্থক্যগুলোর একটি।
সিঙ্গেল-ফেজ নাকি থ্রি-ফেজ: বাড়িতে চার্জিংয়ের পার্থক্য
বাড়িতে চার্জিংয়ের গতি বাড়ির বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে। স্ট্যান্ডার্ড সিঙ্গেল-ফেজ সরবরাহে সাধারণ চার্জিং ক্ষমতা 2.4 kW থেকে 7.4 kW-এর মধ্যে থাকে; এই ক্ষমতায় 50 kWh-এর একটি ব্যাটারি প্রায় 7 ঘণ্টায় ভরে যায়। থ্রি-ফেজ সরবরাহ অন্যদিকে 11 ও 22 kW-এর ওয়াল ইউনিটের পথ খুলে দেয়: একটি থ্রি-ফেজ হোম স্টেশন 24 kWh-এর একটি গাড়ি প্রায় 2 ঘণ্টায় ভরতে পারে। এছাড়া থ্রি-ফেজ বাড়িতে একই সাথে একাধিক উচ্চ ক্ষমতার ডিভাইস চালানোরও সুযোগ দেয়।
তবে এখানে একটি সৎ হিসাব প্রয়োজন: এই সুবিধা প্লাগ-ইন হাইব্রিড মালিকদের জন্য সীমিত। আপনার গাড়ির অন্তর্নির্মিত চার্জার 3.3-7.2 kW-এ সীমাবদ্ধ থাকলে, থ্রি-ফেজ 22 kW সেটআপের প্রদান করা অতিরিক্ত গতি খুবই কম। 22 kW-এর হোম চার্জারগুলো এছাড়া থ্রি-ফেজ পাওয়ার প্রয়োজন করে, আবাসিক এলাকায় বিরল এবং ইনস্টলেশন ব্যয়বহুল। সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক যানবাহনের মালিকদের বা টানা একাধিক যানবাহন চার্জ করবে এমন পরিবারগুলোর জন্যই তিন-ফেজ বিনিয়োগ প্রায়ই অর্থবহ হয়ে ওঠে। প্লাগ-ইন হাইব্রিডের জন্য অগ্রাধিকারের ক্রম আলাদা: প্রথমে সু-সমন্বিত একটি এক-ফেজ ওয়াল ইউনিট, তিন-ফেজ কেবল প্রয়োজন দেখা দিলে।
ঠান্ডা আবহাওয়া চার্জের সময় কেন বাড়িয়ে দেয়?
শীতকালীন চার্জ গ্রীষ্মকালীন চার্জের চেয়ে বেশি সময় নেয় এবং এর দুটি প্রক্রিয়া রয়েছে। প্রথমটি ভৌত: নিম্ন তাপমাত্রা ব্যাটারি সেলের রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোকে ধীর করে দেয়; লিথিয়াম-আয়ন সেল ঠান্ডা থাকলে ইলেকট্রন বিনিময় ধীরে এগোয়। দ্বিতীয়টি সফটওয়্যার-সংক্রান্ত: ব্যাটারি রক্ষার জন্য যানবাহন গৃহীত চার্জিং ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিয়ে দেয়। এই ধীরগতি কোনো ত্রুটি নয়, বরং ব্যাটারির স্বাস্থ্য রক্ষাকারী একটি ব্যবস্থা।
এর প্রভাব উপেক্ষা করার মতো নয়: ঠান্ডা আবহাওয়া দীর্ঘ যাত্রার রেঞ্জ পর্যন্ত %25 পর্যন্ত কমাতে পারে এবং চার্জিং সময়ের বৃদ্ধি বিশেষত উচ্চ-ক্ষমতার চার্জিংয়ে স্পষ্ট। অতিরিক্ত তাপও ঠান্ডার মতোই দায়ী; থার্মাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থাকা সত্ত্বেও দুই চরমই চার্জিংকে ধীর করে। অতিরিক্ত একটি তথ্য হলো, ক্ষয়প্রাপ্ত - ডিগ্রেড হওয়া - ব্যাটারি মানে একইসঙ্গে দীর্ঘ চার্জিং সময় এবং কম রেঞ্জ; অর্থাৎ বার্ধক্যগামী ব্যাটারিতে অপেক্ষাও বাড়ে আর যাওয়ার পথও কমে।
দৈনন্দিন ব্যবহার: রাতের চার্জ এবং কর্মস্থলে মধ্যবর্তী চার্জ
চার্জের সময় সঠিকভাবে অনুমান করার প্রকৃত প্রতিফলন দৈনন্দিন পরিকল্পনায় দেখা যায়। যানবাহন দিনের প্রায় %95 সময় পার্ক অবস্থায় কাটায়; এই সময় চার্জিংয়ের জন্য নষ্ট সময় নয়, বরং মূলধন। এটি ব্যবহারের দুটি সাধারণ দৃশ্যপট রয়েছে।
রাতের চার্জ পরিকল্পনা
7.4 kW ক্ষমতার একটি হোম চার্জার 60 kWh ক্ষমতার একটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক যানবাহনকে 8 ঘণ্টার নিচে পূর্ণ করে। প্লাগ-ইন হাইব্রিডের ব্যাটারি এর এক-চতুর্থাংশ হওয়ায় রাতের সময়টা যথেষ্টই যথেষ্ট: 8-10 ঘণ্টার ঘুমের সময়ে 40-50 রেঞ্জ মাইল বিদ্যুৎ জমা হয় এবং কম চালানো ড্রাইভাররা এই পথে বেশিরভাগ দিনই পেট্রোল ছাড়া শেষ করেন। সময় সঠিকভাবে অনুমান করতে পারা ব্যক্তিরা চার্জকে পুরোপুরি ঘুমের সঙ্গে মিলিয়ে দেন; অনুমান করতে না পারা ব্যক্তিরা হয় সকালে অর্ধেক ব্যাটারি পান, নয়তো রাতে উঠে প্লাগের দিকে তাকান।
কর্মস্থলে মধ্যবর্তী চার্জ
দ্বিতীয় কৌশল হলো ব্যাটারি সম্পূর্ণ খালি করার বদলে যেখানেই পার্ক করা হয় সেখানে স্বল্প সময়ের চার্জ করা - অর্থাৎ মধ্যবর্তী চার্জ পদ্ধতি। পাবলিক এবং কর্মস্থলের স্টেশনগুলো 7-22 kW পরিসরের; 8 ঘণ্টার একটি কর্মদিবসে সাধারণ একটি Type 2 স্টেশন থেকে 50 kWh-এর বেশি শক্তি নেওয়া সম্ভব, যা একটি প্লাগ-ইন হাইব্রিডের জন্য কয়েকবার সম্পূর্ণ চার্জের সমান। কর্মস্থলে চার্জিংয়ের আরেকটি কাজ হলো অন্তর্ভুক্তি: এটি ব্যক্তিগত গ্যারেজ বা পার্কিং স্পেস নেই এমন ড্রাইভারদের বৈদ্যুতিক ব্যবহারে স্থানান্তরিত হতে সহায়তা করে।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলো
প্লাগ-ইন হাইব্রিড সাধারণ ঘরোয়া সকেট থেকে কত সময়ে পূর্ণ হয়? বেশিরভাগ মডেল 6-12 ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ চার্জ হয়; উৎসগুলোতে Level 1-এর জন্য 5-12 ঘণ্টার পরিসরই প্রধান। দৈনিক 30-40 কিলোমিটার ব্যবহারে সারারাত চার্জ এই সময়টি সহজেই মেটায়।
ফাস্ট চার্জিং স্টেশনে কত সময় লাগে? DC ফাস্ট চার্জিং সমর্থনকারী অল্প কয়েকটি মডেলে প্রায় 40 মিনিট; কিন্তু বেশিরভাগ প্লাগ-ইন হাইব্রিড এই প্রোটোকলকে আদৌ সমর্থন করে না, তাই রাস্তার পাশের দ্রুত চার্জিং টাওয়ার প্রায়শই আপনার জন্য অকেজো থাকে।
ওয়াল ইউনিটে লাগিয়েছি, তবুও কেন এত ধীরে চার্জ হচ্ছে? প্রায় প্রতিবারই উত্তরটা এক: গাড়ির অন্তর্নির্মিত চার্জারের সীমা। ওয়াল ইউনিট 22 kW দিলেও 3.7 kW গ্রহণ করতে পারা একটি গাড়ি 3.7 kW হারেই চার্জ হবে।
সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ির তুলনায় কত দ্রুত? ব্যাটারি ছোট হওয়ায় মিনিট ও ঘণ্টার হিসাবে এটি অনেক কম সময় নেয়: 13.8 kWh ক্ষমতার একটি প্লাগ-ইন হাইব্রিড 7.4 kW-এ 4 ঘণ্টায় চার্জ হয়; 82 kWh ক্ষমতার একটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মডেল একই ক্ষমতায় প্রায় 12 ঘণ্টা সময় নিত।
ফলাফল: সংখ্যা না জানলে পরিকল্পনা করা যায় না
প্লাগ-ইন হাইব্রিডের চার্জিং সময় তিনটি সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয়: ব্যাটারির kWh মান, চার্জিং উৎসের kW মান এবং গাড়ি যে সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারে - সময় গড়ে ওঠে এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটির ভিত্তিতে। আপনার গাড়ির ম্যানুয়াল থেকে এই তিনটি মান বের করতে দশ মিনিট লাগে এবং এতে আপনি তিনটি জিনিস পান: রাতের চার্জ যথেষ্ট কি না তা জানা, ওয়াল ইউনিটে বিনিয়োগ সত্যিই গতি বাড়াবে কি না তা হিসাব করা এবং রাস্তায় স্টেশন বদলালে কেন সময় বদলায় না তা বোঝা। প্রকৌশলগত দৃষ্টিতে বিষয়টি এতটাই সহজ; কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের দৃষ্টিতে পার্থক্য হলো, সকালে ১০০% ব্যাটারি ও ৭০% ব্যাটারির মধ্যেকার পার্থক্য।
তথ্যসূত্র
- একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ করতে কত সময় লাগে?
- EV চার্জিং ক্যালকুলেটর - Chargie
- ঘরে PHEV চার্জিং: খরচ, সময় ও চার্জার নির্বাচন
- প্লাগ-ইন হাইব্রিড চার্জ করা
- একটি হাইব্রিড গাড়ি চার্জ করতে কত সময় লাগে
- MINI PHEV চার্জিং গতি
- চার্জিং সময়ের ক্যালকুলেটর
- একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং সময় কীভাবে হিসাব করবেন
- সিঙ্গেল-ফেজ বনাম থ্রি-ফেজ EV চার্জিং
- EV চার্জার ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাখ্যা
- সিঙ্গেল-ফেজ বনাম ৩-ফেজ EV চার্জার
- ঠান্ডা আবহাওয়ায় EV চার্জিংয়ের পাঁচটি টিপস
- গরম ও ঠান্ডা তাপমাত্রা এবং EV-এর রেঞ্জ
- আপনার চার্জিং পরিকল্পনা কী?
- কর্মক্ষেত্রে চার্জিং